গাড়ির পেছনের সিটের সেই আবছা অন্ধকারে সময়ের হিসাব হারিয়ে গিয়েছিল। ইউভানের ঠোঁট আর হাতের প্রতিটি তৃষ্ণার্ত ছোঁয়া মারিয়ার শরীরের প্রতিটি রন্ধ্রে এক তীব্র, অবর্ণনীয় আলোড়ন সৃষ্টি করছিল। একদিকে ফারহানের দেওয়া সেই ক্ষত ও মানসিক ট্রমা, আর অন্যদিকে নিজের স্বামীর এই না-চিনেও চিনে নেওয়ার আদিম ব্যাকুলতা—মারিয়া নিজেকে পুরোপুরি হারিয়ে ফেলল।
ইউভান এক হাত দিয়ে মারিয়ার কোমর আরও উঁচুতে তুলে ধরল, যাতে তাদের শরীরের ঘর্ষণ আরও তীব্র ও গভীর হয়। তার অন্য হাতটি মারিয়ার অনাবৃত স্তনজোড়াকে নিজের মুঠোয় পিষে দিচ্ছিল, আর তার মুখ তখনও মারিয়ার সংবেদনশীল নিপলে নিমগ্ন। মারিয়ার শরীর উত্তেজনার চরম সীমায় পৌঁছে অবাধ্যের মতো কাঁপছিল, তার গোপন অঙ্গ থেকে ক্ষরিত হওয়া কামরস ইউভানের প্যান্টের কাপড়কে ভিজিয়ে দিচ্ছিল।
Write a comment ...