দুবাইয়ের আকাশচুম্বী বুর্জ খলিফার আলোয় ঢাকা, অ্যারাবিয়ান ক্রাউন হোটেল। সমুদ্রের ধারে সোনালী ঝলমলে সেই বিলাসবহুল হোটেলটির পুরো টপ ফ্লোর বুক করে রেখেছে ইউভান ডিউক। কাচের দেয়ালের ওপাশে আরব সাগরের গর্জন, আর ভেতরে লাল-কালো আলোয় মোড়া এক জমকালো পার্টি।
গায়ে কালো স্যুট, বুকের কাছে গাঢ় ওয়াইন রঙের রেশমি টাই, মুখে চেনা কনফিডেন্ট স্মার্ক—সেই Executor ইউভান ডিউক। তার চারপাশে ছায়ার মতো ঘুরছে বিদেশি বডিগার্ডরা, কানে লুকানো ইয়ারপিস, চোখে ধারালো দৃষ্টি।
সোনালী নিয়ন আলোয় টেবিলে সাজানো ভিনটেজ ওয়াইন, হীরের মতো ঝলমলে গ্লাস, আর পাশে কয়েকজন ইউরোপিয়ান মডেলদের উপস্থিতি বর্তমান । তবে এ পার্টি শুধু গ্ল্যামারের জন্য নয়—এ এক আন্ডারওয়ার্ল্ডের গোপন দরবার ও বলা চলে।
ইরান থেকে অস্ত্র ব্যবসায়ী শাহরুখ আলি, রাশিয়ান মাফিয়ার ভ্লাদিমির, আফ্রিকান ড্রাগ লর্ড কেবিরো, আর ইতালিয়ান সিসিলিয়ান কার্টেলের প্রতিনিধি—সবাই আজ উপস্থিত। তাদের চোখে ইউভানের প্রতি শ্রদ্ধা ও ভয় মিশ্রিত।
হলঘরের কোণায় ডার্ক স্ক্রিনে একের পর এক প্রজেকশন ভেসে উঠছে—ইউভানের নতুন কনট্রাক্টস, তার সাম্রাজ্যের মানচিত্র, নতুন শিপমেন্টের রুট। সবার করতালির মধ্যে ইউভান ধীর পদক্ষেপে এগিয়ে এসে দাঁড়াল মঞ্চের কেন্দ্রে।
গলায় ভারী অথচ স্থির কণ্ঠ—
“Gentlemen, tonight is not just a celebration of a project. It is a message… The Royal Dutch industry is stronger than ever. From Dubai to London, from Berlin to India—our empire has no borders anymore.”
এক মুহূর্তের জন্য সারা হল নিস্তব্ধ। তারপরই বাজলো করতালি। সব কিছু মিলেমিশে এক অস্বস্তিকর অথচ ক্ষমতাশালী আবহ তৈরি করে।
কিন্তু, সব উল্লাসের মাঝেই—ইউভানের চোখে মাঝে ভেসে ওঠে একজনের অনুপস্থিতি । যা তাকে ভেতর থেকে অস্থির করে তুলছে।
কিন্তু বাইরে সেটা প্রকাশ করা তার মতো লোকের ধাতেই নেই।
সে আবার ওয়াইনের গ্লাস তুলে চেয়ার্স জানিয়ে, গম গমে স্বরে বলল—
“Let the world know—Yuvaan Duke never loses.”
" টাক টাক! ইউভান স্বাগাত(swagath)নেহি কারোগে হামারা"
ইউভান এর দৃষ্টি স্থির হলো প্রবেশ দ্বারের কাছে দাঁড়িয়ে থাকা ব্যক্তি টির ওপর। তার মুখে মুহূর্তেই বাঁকা হাসি ফুটে উঠল।
" ভাই! "
উপস্থিত আর কেউ না রেহান। ইউভান নির্দ্ধিধায় এগিয়ে গলা জড়িয়ে ধরল তার ভাই রেহান এর। রেহান একা নয় বরং তার সাথে লারা ও উপস্থিত হয়েছে তার লাস্যময়ী সাজে। লাল সিফনের বডিকন ড্রেসে তার রূপ যেনো ঠিকরে। বের হচ্ছে।
" ইউভি! আম সো প্রাউড অফ ইউ। ইউ লুকিং সো হট!"
লারা ইউভান কে জড়িয়ে ধরার আগেই বিদেশি দেহরক্ষী তাকে আটকে দেয়।
" ইটস ফর বস সেফটি। প্লিজ ম্যাম!"
লারার মুখ লাল হয়ে ওঠে অপমানে। ইউভান নির্লিপ্ত ভঙ্গি তে রেহান ইশারায় পার্টি তে ইনজয় করতে বলে। লারার দিকে একবার ও তাকায় নি ভেবেই লারার রাগে গা জ্বলে যাচ্ছে। এই সাজ কেবল মাত্র ইউভান এর জন্য সেজেছে কিন্তু কিছুতেই ইউভান তার দৃষ্টি তার ওপর ফেলছে না! বিরক্তি অপমানে অসহ্য লাগছে তার।
গট গট করে বার সেকশন এ প্রবেশ করে হার্ড ড্রিঙ্কস এর শট নিমিষে গলায় ঢেলে সামনে বসার সিটে গা এলিয়ে দিল নিজের। দূর থেকেই কমনীয় দৃষ্টিতে ইউভান এর প্রশস্ত শরীর দেখে লারার গলা শুকিয়ে আসে। আজ পর্যন্ত বহু ছেলেকে নিজের বিছানায় নিয়ে যেতে পেরেছে । কিন্তু কাউকে ইউভান এর মতো আকর্ষণীয় দেখতে নয়। লারার বরাবর ই পছন্দ ডমিনেন্ট রাফনেস। যেটা ইউভান কে দেখলে নিজের ভেতরের কামনার আগুন টাকে ধরে রাখতে পারে না লারা। তার ইউভান কে চাই ই চাই। একরাতের জন্য বিছানায়। মনের মাঝে কুটিল একটি ভাবনা ভেবে লারা মুখে পৈশাচিক হাসি ফুটে উঠল।
___________________________________
“মিট মিঃ শাহরুখ আলি—ইরানের অন্যতম অস্ত্র ব্যবসায়ী।”
ইউভান পরিচয় করিয়ে দিল রেহানকে। রেহান এগিয়ে শাহরুখ আলির সাথে সৌজন্য বিনিময় করল। ঠিক সেই সময় এক নামকরা ব্যবসায়ী প্রশ্ন ছুঁড়ে দিল—
“Where is your Mrs. Duke?”
ইউভান এক চুমুক ওয়াইন নিয়ে নির্লিপ্ত ভঙ্গিতে শান্ত গলায় বলল—
“Actually, she is ill. So she couldn’t come here.”
পাশ থেকে দুজন ব্যক্তি হেসে বলে ওঠে, she is soo beautiful. I just saw her in social media pictures. But she look to younger than you Mr duke.
ইউভান এর দৃষ্টি শক্ত হলো। ওয়াইন এর গ্লাস টা সজোরে চেপে ধরল নিজের মুঠোয়।
" Yeah I also heard that. She is just 20 i guess. You both had much age difference. Mr. Duke"
মুহুর্তেই সকলের ধ্যান যেনো এই কথা গুলোতে বর্তায়। আসলেই এত বড় পার্টি? মিস্টার ডিউক এর ওয়াইফ উপস্থিত নয় কেনো? সবার মনে যেনো সন্দেহ নাড়া দিচ্ছে।
" She is my wife. None of other things matter got it.! Now leave!"
ইউভান এর জোরালো হুমকি তে সকলে মাঝে খানিকটা ভয় বৃদ্ধি পেল। পরিবেশ নিমিষেই শান্ত হয়ে গেল। ইউভান আর কথা না বলে হোটেল টির রুফ টপে পা বাড়ায়।
রেহান মুখে বাঁকা হাসি ফুটে ওঠে। ধীর পায়ে পেছন পেছন নিজেও গিয়ে উপস্থিত হয় ইউভান এর কে লক্ষ্য করে।
" কি বলতে এসেছো ?"
সিগারেট এর ধোঁয়া উড়িয়ে ইউভান খাপছাড়া জবাব দেয়। সে পেছনে না ঘুরেও বুঝতে পারছে খুব ভালো মতো কে হতে পারে এই ব্যক্তি।
রেহান হালকা হেসে গ্লাসে চুমুক দিল। চোখে বাঁকা দৃষ্টি রেখে বলল—
“ইউভি, আর কত দিন এই লুকোচুরি? তুমি চাইলেই তোমার সাথে তাকে আনতে পারতে তাই না?
কবে জানাবে মিহিরিমাকে তোমার আসল রূপ? ওই সরল মেয়েটা এখনো ভাবে, তুমি কেবল এক ইন্ডাস্ট্রিয়াল টাইকুন।”
ইউভান ঠোঁটে সিগার চেপে নির্লিপ্ত ভঙ্গিতে হেসে উঠল।
“মিহিরিমাকে কখনোই কিছু জানানো হবে না। ওর দুনিয়া আলাদা, আমার দুনিয়া আলাদা । ও স্বচ্ছ পবিত্র আর আমি অন্ধকার”
রেহানের হাসি এবার তীক্ষ্ণ বিদ্রূপে পরিণত হলো। চোখে অদ্ভুত ঝিলিক নিয়ে ধীরে ধীরে ফিসফিস করে বলল—
“তবুও অদ্ভুত না, ইউভান? আন্ডারওয়ার্ল্ডে তোমার নাম এতদিন ধরে ঘুরছে… অথচ সিদ্ধান্ত নেয়ার টেবিলে তুমি কোথাও নেই। শুধু প্রজেক্ট, শুধু টাকা… ক্ষমতার আসল খেলায় তুমি কেন নেই? নাকি ভয় পাও আসল পরিচয়ে আসতে?
ইউভান এর চোখ জ্বলে উঠল বিপদজনক রাগে।
“ভয়… আমি? ভাই, তুমি খুব ভালো করেই জানো—আমি যেখানে দাঁড়াই, খেলার নিয়মটাই বদলে যায়।”
রেহান কিছু একটা আঁচ করে হঠাৎ গম গমে স্বরে হেসে উঠল, তুমি দুর্বল হয়ে পড়ছো ইউভান। আমার ভাই শেষ পর্যন্ত কিনা একটা সাধারণ মেয়ের প্রতি দূর্বল হয়ে পড়েছে। তার জন্য সব রকমের প্রটেকশন , এমনকি বুকে গুলি পর্যন্ত খেয়ে ফেলল?
ইউভান চোয়াল শক্ত করে বলে ওঠে, ইউভান ডিউক এর জীবনে দূর্বল শব্দ টা কখনোই জায়েজ হবে না ভাই। তোমার নীতি আমার ওপর চলবে না।
রেহান টের পেল ইউভান এর চোখের দৃষ্টির কম্পন। কুটিল হাসল সে।
" ইউভান তুমি আমায় নিজের শত্রু ভাবতেই পারো কিন্তু যার জন্য তোমার নীতির বদল ঘটছে বার বার। নিজেকে শেষ করতে ও হাত কাপছে না । আমি যদি বলি সেই তোমার ধ্বংসের কারণ হয়ে উঠবে!"
রেহান সিগারের ধোঁয়া উড়িয়ে বলল—
“তুমি জানো, ইউভান, ওই মেয়েটাকে নিয়ে তুমি যতই সাধারণ মেয়ে মনে করে বাঁচানোর চেষ্টা করো… মিহিরিমা তোমার জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল।”
ইউভান স্থির অথচ কঠোর গলায় বলল।
“মুখ সামলে কথা বলো ভাই! আমার গুলি তোমার বুক ঝাঁঝরা করে দিতে জাস্ট কয়েক সেকেন্ড লাগবে।”
রেহান শুকনো ঢোক গিলে এবার ধীর গলায় বলল,
“স্ত্রী? সে প্রথম দিন থেকেই প্ল্যান সাজিয়েছে তোমাকে বিয়ে করার। তোমার প্রতিটা পদক্ষেপ, প্রতিটা তথ্য—সবই সে তোমার শত্রু-পক্ষের হাতে তুলে দিচ্ছে। তুমি কি ভেবেছো, তোমার শিপমেন্ট নিয়ে যে হঠাৎ সমস্যাগুলো তৈরি হলো সেগুলো কাকতালীয়?”
ইউভান তীব্র দৃষ্টিতে তাকিয়ে গর্জে উঠল—
“Enough! মিহিরিমার নাম আর একবার নিলে এর ফল তুমি সহ্য করতে পারবে না। ওর সঙ্গে আমার সম্পর্ক তোমার ঘৃণ্য ষড়যন্ত্রের ঊর্ধ্বে।”
রেহান তৃপ্তির হাসি হাসল, যেন ঠিক এটিই শুনতে চেয়েছিল।
“দেখছো তো? তুমি ইতিমধ্যেই ওর জন্য অন্ধ হয়ে গেছো। Executor Yuvaan Duke—যে মানুষকে ভয় পায় গোটা আন্ডারওয়ার্ল্ড—আজ একটা মেয়ের জন্য নিজের চোখ বন্ধ করে বসে আছে। আমি শুধু বলছি, ভাই… ওই মেয়েটাই তোমার ধ্বংসের কারণ হবে।”
ইউভান এবার সিগারের টুকরো ছুঁড়ে ফেলে দিল বাতাসে, কণ্ঠে ঝড়ের মতো গর্জন—
“মনে রেখো, আমি কারও ফাঁদে পা দিই না। মিহিরিমা আমার স্ত্রী, আর আমি আমার মতো করেই ওকে রক্ষা করব। যদি কেউ ওর দিকে আঙুল তোলে—আমি তাকে মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেবো, সেটা সে তুমি হও বা গোটা আন্ডারওয়ার্ল্ড।”
রেহান এর ঠোঁটে ব্যঙ্গাত্মক হাসি—
“চলো দেখি, ইউভান। ভালোবাসা তোমাকে বাঁচায়, না কি শেষ করে দেয়।”
____________________________________
ইউভান রেহান এর সাথে কথা বলে সোজা বার কাউন্টার এ চলে আসে। নিমিষেই দুটো ড্রিঙ্ক এর গ্লাস গলায় ঢালতেই গলা জ্বলে ওঠে তার। রেহান এর কথা গুলো বার বার যেনো মাথায় গজ্রে যাচ্ছে। হাতের ফোন টা নিয়ে ডেভিড কে একটি ম্যসেজ পাঠিয়ে দিতেই ফোন টা লো ব্যাটারির কারণে সুইচ অফ হয়ে গেল। রাগে নিজের চুল খিঁচে ধরল সে।
" ইউভি। আর ইউ ওকে কিছু হয়েছে তোমার?"
একটি মেয়েলি কন্ঠ তার সামনে থেকে প্রতিধ্বনিত হলো।
লারা!
চিরাচরিত লাস্যময়ী কায়দায় ইউভান এর ঠিক পাশেই বসল। ইউভান অতিরিক্ত নেশায় চোখ এটে আসতে চাইছে। লারার উপস্থিতিকে পরোয়া না করে ড্রিঙ্ক এ চুমুক দিল সে।
লারা কিছু একটা বুঝে সামান্য ঘেঁষে বসল। ইউভান অনুভব করল তার কুনুই কোনোভাবে লারা কে স্পর্শ করছে। চট করে উঠে দাঁড়াল সে। হাঁটতে গিয়ে পা হরকাল কিন্তু তার আগে লারা তাকে একপাশে জড়িয়ে ধরে।
" কি হয়েছে ইউভি? তুমি হাঁটতে পারছো না?"
ইউভান এর মনে হলো সব কিছু অন্ধকার হয়ে আসছে মাথায় প্রচণ্ড চাপ অনুভব হলো।
" ইটস ওকে। ডোন্ট টাচ মিঃ"
লারা মুখ শক্ত করে ইউভান কে টি ছাড়লোই না বরং টেনে রিসেপশন এ এসে পৌঁছায়। ইউভান নিজের শরীর প্রায় ছেড়ে দিয়েছে। কথা বলার কোনো ক্ষমতা নেই।
সেখানে লারা স্বাভাবিক ভাবে ইউভানের দেহরক্ষীর সম্মুখীন হতেই ইউভান কে নিজের কাছে চেপে সে দ্রুত বলে ওঠে, বস এর শরীর টা ভালো না তাই আমি রুম খুজছি ওর রেস্ট এর দরকার।
.
.
.
পরের দিন সকালে
ইউভানের মাথা যেন ফেটে যাচ্ছে। অসহ্য ভার আর মাথা ব্যথায় হঠাৎ শরীরের ওপর কিছু ভারী চাপ অনুভব করল। চোখ মেলে দেখল—তার বুকের ওপর কারো হাত।
বিস্ময়ে তার চোয়াল শক্ত হয়ে গেল।
লারার শরীর জড়িয়ে আছে তার সঙ্গে… আর দুজনের গায়ে কোনো পোশাক নেই।
ইউভান ঝটকা দিয়ে উঠে বসতেই গলাটা শুকিয়ে গেল। তার ঊর্ধ্বাঙ্গ উলঙ্গ, পাশেই আধশোয়া লারা—অবিন্যস্ত চুল, ঠোঁটে অদ্ভুত তৃপ্তির হাসি।
“Good morning, Yuviii…” লারা টেনে টেনে বলল, কণ্ঠে খুনসুটি আর কৌতুক মিশ্রণ।
ইউভানের চোখ লাল হয়ে উঠল ক্রোধে। হাতের কাছে থাকা ওয়াইনের বোতল মাটিতে আছড়ে ফেলল।
“What the hell is this, লারা?!”
লারা নরম হেসে তার কাছে এগিয়ে এল, আঙুল ছুঁইয়ে দিল ইউভানের বুকে।
“তুমি এত রেগে যাচ্ছো কেন? কাল রাতের সবকিছু… ছিল একেবারে real। তুমি নিজেই আমাকে এখানে এনেছো।”
ইউভান দাঁত চেপে গর্জে উঠল—
“Shut up! আমি এমন কিছু কখনোই করিনি। তুমি জানো, এটা একটা সেটআপ!”
লারার ঠোঁটে বাঁকা হাসি খেলে গেল।
“সেটআপ হোক বা রিয়েল হোক… যা হয়েছে, তা বদলানো যাবে না। আর বাইরে এতক্ষণে নিউজ হয়ে গিয়েছে—Executor Yuvaan Duke তার প্রাক্তন প্রেমিকার সঙ্গে এক রাত কাটিয়েছে। নিজের স্ত্রী কে রেখে!
ইউভানের বুকের ভেতর রক্ত টগবগ করে উঠছে।
সে জানে, এই খেলাটা ইচ্ছে করেই সাজিয়েছে লারা। রেহানের বিষাক্ত কথা, আর তার ঠিক পরেই এই পরিস্থিতি—সবই যেন একটা বৃহৎ ষড়যন্ত্রের অংশ।
কিন্তু কে আসল পুতুলনাচের নেপথ্যে? রেহান? নাকি আরও অজানা কোনো শত্রু?
ইউভান দাঁড়িয়ে পড়ল, চোয়াল শক্ত, চোখে বিপজ্জনক অগ্নি।
“ তোমার মতো মেয়েরা শুধু শরীর দিয়ে খেলা বোঝে। কিন্তু মনে রেখো—আমার খেলার নিয়মে শরীর নয়,
রক্ত ঝরে। আর যদি এটা তোমাদের ফাঁদ হয়… তবে তার জবাব এমনভাবে দেবো, যাতে ইতিহাস মনে রাখে।”
তবে তার মন টা কেবল অস্থির হয়ে উঠল একজনের জন্য।
___________________________________
Write a comment ...