35

His panishment my weakness

"ভুলের শাস্তি দিতেই হবে তোমায়, ওয়াইফি..."

ইউভানের তীব্র গলা থেকে ঝরে পড়া প্রতিটা শব্দ যেন মিহিরিমার শরীর জুড়ে শিরশিরে একটা বিদ্যুৎ বইয়ে দেয়।  মিহিরিমার এই মুহূর্তে নিজের অপর ই রাগ হতে থাকল। ইউভান কে ক্ষেপিয়ে দিয়ে যেনো আরো বড় ভুল করে বসেছে সে।

গাড়ি ফার্ম হাউসের সামনে থামার মুহূর্তেই,

সে প্রতিরোধ করতে চাইলেও ইউভানের শক্ত বাহু তাকে চেপে ধরে টানতে টানতে শোবার ঘরের দরজা পেরিয়ে নিয়ে আসে। দরজা ঠাস করে বন্ধ হতেই, সেই পরিচিত আধো অন্ধকার আর গোলাপের সুবাস মিহিরিমার বুক ধড়ফড় করিয়ে তোলে।

"আমাকে ছেড়ে দিন... দয়া করে..."

মিহিরিমার কণ্ঠ কেঁপে উঠল, কিন্তু তার গলায় একটুকরো নিশ্চিত দুর্বলতা ইউভানের চোখ এড়ায় না।

ইউভান ধীরে ধীরে এগিয়ে এসে তার কানের কাছে কাঠ  কাঠ গলায় বলল—

> “ মাই ট্রাভেলমেকার তুমি ভুলে গিয়েছো , আমার জিনিসে অন্য কেউ হাত দেবে, সেটা আমি সহ্য করবো না।”

তারপরে সে ধীরে ধীরে হাত বাড়িয়ে মিহিরিমার মুখটা নিজের হাতে ধরে। নরম অথচ দৃঢ় ভাবে, যেন তার স্পর্শে হিংস্রতা আর  অধিকার একসাথে মিশে আছে।

"তুমি যদি অন্য কারও সঙ্গে নাচতে পারো, তবে আমিও তো তোমার প্রতিটা স্পর্শ ফিরিয়ে নিতে পারি, তাই না?"

ইউভান তার ঠান্ডা গলার স্বরে বলল।

মিহিরিমা ভয়ে শুকনো ঢোক গিলল ঘন ঘন। তার কপালে ঘামের বিন্দু বিন্দু রেখা স্পষ্ট।

ইউভান ধীরে ধীরে তাকে পেছন দিকে ঠেলে শোবার ঘরের নরম বিছানায় বসিয়ে দিল। তারপর নিজের কোটটা খুলে রাখল একপাশে। তার চোখ জ্বলজ্বল করছে—দমিয়ে রাখা ক্ষোভ আর গোপন বাসনার মিশেলে।

"তুমি কি জানো, কী ভয়ংকর রকম সুন্দর দেখাও তুমি যখন ভয় পাও?"

সে মিহিরিমার চিবুকে আঙুল রেখে মুখটা নিজের দিকে ঘুরিয়ে আনল। মিহিরিমার মুখে বিরক্তি আর ঘৃণা দেখে ইউভান নিজের চুলে হাত বোলাতে বোলাতে বাঁকা হাসি খেলে গেলো মুখ মণ্ডলে।

মিহিরিমা চোখ বন্ধ করে ফেলল... শরীর উত্তেজনায় কাঁপছে, মন বলছে পালিয়ে যেতে, কিন্তু কোথাও একটা জায়গা—যেটা স্বীকার করে নিচ্ছে, এই পুরুষের ছোঁয়া চাইলেও এড়াতে পারে না। ইউভান কে এত কাছে দেখে তার শরীর কাঁপতে থাকে আজকাল। হাঁটু দুর্বল হয়ে যায়, শক্ত পুরুষালি শরীর টি যেনো আজকাল তার হৃদ গতির মাত্রা বাড়িয়ে দিচ্ছে।

"You still hate me hummm?"

ইউভান হটাৎ প্রশ্ন টা করে বসল কৌতুক আর অধিকার বোধ এর তাড়নায়। তার মাথায় এখনো কিছুক্ষণ আগের বিক্ষিপ্ত ঘটনা ভেসে আসছে।

মিহিরিমা ঠোঁট দিয়ে দাঁত চেপে ধরলো নিজের। উত্তর টা দিতে গেলেও গলায় কথা আটকে আসল তার।

ইউভান তখন নরম গলায় বলে,

> "তোমার ওই ঘৃণার চেয়ে আমার অধিকার অনেক বেশি পুরোনো, মিহিরিমা। tonight, I’m claiming it back."

ইউভান এগিয়ে এসে তার

ঠোঁট ধীরে ধীরে স্পর্শ করল মিহিরিমার কাঁধে। তারপর ঘাড়ের কাছে। প্রতিটা স্পর্শ যেন দাবী করে চলেছে, ‘তুমি আমার, তুমি শুধু আমার।’

মিহিরিমা চোখ বন্ধ করে ফেলল। প্রতিরোধ করার কথা ভুলে গেল কিছুক্ষণ।

তার নিঃশ্বাস বেড়ে যাচ্ছে, গলা শুকিয়ে আসছে, আর মাথার ভেতর কেবল একটা কথা ঘুরছে—

"আমি কেন পালাচ্ছি না? আমি কেন থেমে যাচ্ছি?"

ইউভান তার কানে ফিসফিসিয়ে বলে,

> “তুমি যতই আমায় ঘৃণা করো বলো,

your body don't show the hate if I touch you…”

মিহিরিমা কিছু বলতে যাচ্ছিল, কিন্তু ইউভান তার আঙুল ঠোঁটে তুলে দিলো। বড্ড রুক্ষ গলায় ফিসফিসিয়ে বলল,

> “না। এখন আর কিছু বলার নেই। এখন শাস্তির সময়। And I won’t be gentle.”

তারপর সে ধীরে ধীরে মিহিরিমার গলার নিচে, বুক বরাবর হাত বোলাতে লাগল বড্ড রুক্ষ ভাবে।

মিহিরিমার শরীর শিউরে উঠল। প্রতি টা লোপ কূপে  উত্তেজনা টের পেল সে।

ইউভান এর প্রতিটা স্পর্শ ছিল দাবিমূলক, অপ্রতিরোধ্য, যেন সে কেবল ছুঁয়ে দিচ্ছে না, নিজের ছাপ রেখে যাচ্ছে।

ইউভান হটাৎ  তার নিচু, গাঢ়, এবং তীক্ষ্ণ— স্বরে বলল

> “Tonight, I’ll mark you everywhere. So that tomorrow, even আয়নায় তাকালেও তুমি  জানতে পারবে, You belong to whom!

সে এক ঝটকায় মিহিরিমার হাতদুটো তুলে বিছানায় আটকে দিল।

কোনো বাঁধন ছিল না, কিন্তু তার শক্ত হাতের মধ্যে মিহিরিমার হাতদুটো যেন শিকল এর  মধ্যে আটকে গিয়েছে ।

মিহিরিমা ছটফট করল, চোখে ভয় আর উত্তেজনার মিশ্র ছায়া।

> “ইউভান… এটা ঠিক না…”

তার ঠোঁট কাঁপল, দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে উঠল।

ইউভানের চোখ ঠিক তার চোখের দিকে—ঠান্ডা, কিন্তু জ্বলন্ত দৃষ্টি নিয়ে তাকিয়ে রইল। মুখে বাঁকা হাসির সহিত সে বলে ওঠে

> “তোমার ভয় আমার কাছে নেশা, ওয়াইফি। আর তোমার এই কাঁপুনি—আমার প্রমাণ যে আমি ঠিক জায়গায় ছুঁয়েছি।”

তার ঠোঁট এবার নামল বুকের মাঝখানে… তারপর আরও নিচে।

প্রতিটা রুক্ষ  চুমু যেন মিহিরিমার শরীরে না চাইতেও শিহরিত করে তুলছে। বুকের ওপর প্রবল চাপ প্রয়োগে না চাইতেও মিহিরিমা  শিৎকার বেরিয়ে আসে, উম্ম ! ইভান ।

ইউভান এর রুক্ষ স্পর্শ এবার কোমরের নিচে নামতে থাকলে

মিহিরিমার নিঃশ্বাস থেমে যায়—সে নিজের শরীর কে শক্ত করে ধরে রাখলেও,  গোপনে সে নিজেই ধীরে ধীরে গলে যাচ্ছে।

> “Say it, মিহিরিমা,” ইউভান ফিসফিস করে বলে, তার আঙুলের খেলায় মেয়েটার শরীর ঘামছে, শ্বাস কেটে যাচ্ছে।

“Say that you want this. That you want me.”

মিহিরিমা চোখ বন্ধ করে ফেলে। ঠোঁট শক্ত করে ধরে।

> “আমি… আমি জানি না…”

শব্দগুলো যেন বহু কষ্টে মিহিরিমা উচ্চারণ করল নিজের মুখে। এক বিছানায় তার পোশাক প্রায় কোমরের কাছে উঠে এসেছে। ইউভান এর শরীর এ তখন প্যান্ট ছাড়া আর কিছু অবশিষ্ঠ নেই। তার রোমশ বুকটা মিহিরিমা কে না চাইতেও পিষে দিচ্ছে।  ইউভান তার  অন্তর্বাস খুলে ঘরের এক কোণে ছুঁড়ে ফেলতেই লজ্জায় পেছন ঘুরে মুখ লুকিয়ে ফেলে নিজের মিহিরিমা।  অর্ধ নগ্ন অবস্থায়। ইউভান যেনো মুহূর্তে থমকে যায় মিহিরিমা কে দেখে। তার চোখে কামনার আগুন ধরিয়ে দিয়েছে যেনো কেউ। এক পাশে মিহিরিমার চুলের গোড়ায় শক্ত করে চেপে শক্ত হাত দিয়ে চেপে ধরে মিহিরিমার স্তন জোড়া।

" আহ লাগছে আমার!!"

ইউভান ডেভিল এক হাসি দিয়ে মিহিরিমা পরণের পার্টি ড্রেস টা টান মেরে ছিঁড়ে দেয়।  মিহিরিমা ইউভান কে এত হিংস্র রুপে সাথে নিজে কে নগ্ন অবস্থায় দেখে চোখের জল গড়িয়ে পড়ে মুহূর্তেই।

> “তোমার শরীর জানে। তোমার কান্না, তোমার নিশ্বাস, তোমার ভেজা ত্বক জানে—তুমি আমায় চাও। এতটা চাও, যে ঘৃণার মুখোশও টিকতে পারছে না।”

তারপর সে পুরোপুরি উঠে আসে তার গায়ে। নিজের বুক চেপে ধরে মিহিরিমার শরীরের উপর। তাদের শরীরের মাঝে আর কোনও দূরত্ব নেই।

চোখে চোখ রেখে ইউভান জোরে শ্বাস ফেলে—

> “I’m going inside you now. Not just your body. I’m going to enter your fear, your pride, your resistance—everything.”

শরীরের ভেতরে ছুঁয়ে যাওয়ার সেই প্রথম মুহূর্তটা ছিল আগুনের মতো।

মিহিরিমা এক ঝটকায় কেঁপে ওঠে। দম বন্ধ হয়ে আসে।

সে চিৎকার করতে চায়, কিন্তু শব্দ আটকে যায় গলায়।

ইউভান থামে না।

তার গতি প্রথম থেকেই রুক্ষ হিংস্র, কিন্তু পরক্ষণেই সে তাকে একেবারে দাবি করে নিচ্ছে, প্রতিবার  জানিয়ে দিচ্ছে—“তুমি আমার। Till My death"

মিহিরিমা বিছানার চাদর আঁকড়ে ধরে। ঠোঁট কেটে ফেলেছে নিজেই, যাতে শব্দ না বেরোয়।

কিন্তু ইউভান থামে না। সে চায় মিহিরিমা শব্দ করুক। চায় সে নিজের ইচ্ছাকে স্বীকার করুক।

> “Scream for me,”

“Tell me who owns your body.”

শেষ পর্যন্ত, মিহিরিমা ভেঙে পড়ে। শরীর-মন আর একসাথে ধরে রাখতে পারে না।

> “… ইভান… প্লিজ...

এই স্বীকারোক্তি যেন ইউভানকে এক নেশার চূড়ায় পৌঁছে দেয়।

সে শেষ বার,  এগিয়ে আসে, আর তার শরীর—একসাথে ক্লাইম্যাক্সে পৌঁছায়… ঝড়ের মতো, বৃষ্টির মতো, আগুনের মতো। ইউভান এর শরীরের হিংস্র দানব টা যেনো  শান্ত হয়ে গিয়েছে। মিহিরিমার নগ্ন শরীর নিজের শরীরের সাথে চেপে ধরে ঘন ঘন নিশ্বাস নেই সে।

ঘরজুড়ে তখন কেবল ঘামের গন্ধ, গোলাপের সুবাস, আর ভালোবাসা না-হলেও দাবির চিহ্ন।

ইউভান ধীরে ধীরে উঠে বসে, মিহিরিমার চুলে হাত বুলিয়ে দেয়।

তার গলায় আবার কোমলতা।

> “I told you, punishment can be beautiful too.”

Write a comment ...

Write a comment ...